রাজশাহীতে দ্রুত নগরায়ণ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনবসতি ও বর্জ্যের পরিমাণও বেড়ে চলেছে। অতিরিক্ত বর্জ্য অপসারণে হিমশিম খাচ্ছেন নগরীর পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এই বর্জ্য পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। আধুনিক ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বর্জ্যকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হলেও সে উদ্যোগ এখনো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।
একসময় পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে পরিচিত রাজশাহীতে বর্তমানে সিটি করপোরেশনের একটি প্রধান ডাম্পিং পয়েন্ট ও ৩৫টি সেকেন্ডারি পয়েন্ট থাকলেও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় শহরের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বসতবাড়ি ও প্রতিষ্ঠান থেকে সংগৃহীত বর্জ্য প্রথমে সেকেন্ডারি পয়েন্টে এবং পরে প্রধান ভাগাড়ে নেওয়া হয়। তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বাণিজ্যিক তৎপরতা বাড়ায় প্রতিদিন প্রায় ৪০০ টন বর্জ্য জমা হচ্ছে, যা সঠিকভাবে অপসারণ ও প্রক্রিয়াজাত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবিদরা বলছেন, ভাগাড়ে অপরিশোধিত বর্জ্য ফেলে রাখার ফলে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে। বর্জ্য পৃথকীকরণ, রিসাইকেল ও রিইউজের মাধ্যমে কাঁচামালের ওপর চাপ কমানো সম্ভব। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন আহমেদের মতে, সঠিক গ্রুপিং ও পুনর্ব্যবহারই হতে পারে কার্যকর সমাধান। পরিবেশ অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশনও পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করে দ্রুত সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
রাজশাহী ভয়েস
Rajshahi Voice একটি আধুনিক, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যার মূল লক্ষ্য রাজশাহীকে সঠিকভাবে রিপ্রেজেন্ট করা এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা। রাজশাহীর ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনধারাকে প্রামাণ্য ও বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।