ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আজ ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন হলেও তার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে দীর্ঘ এক মাসের বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত সংকটময়। তার মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং তার শারীরিক জটিলতাগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দলের নেত্রীর অবস্থা স্থিতিশীল না হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়টিও ঝুলে আছে। এই পরিস্থিতিতে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও শারীরিক সক্ষমতার অভাবে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, বেগম জিয়ার অনুপস্থিতিতে নির্বাচনী প্রচারণায় বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অলৌকিক কিছুর আশা করছেন।
এমন প্রতিকূল বাস্তবতায় রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে খালেদা জিয়ার নির্ধারিত আসনগুলোতে বিকল্প প্রার্থী প্রস্তুত রেখেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ফেনী-১, বগুড়া-৭ এবং দিনাজপুর-৩ আসনে তার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পাশাপাশি দলের অন্য শক্তিশালী প্রার্থীদেরও ব্যাকআপ হিসেবে রাখা হয়েছে। মূলত কোনো কারণে বেগম জিয়ার প্রার্থিতা অনিশ্চিত হয়ে পড়লে অথবা তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে অপারগ হলে আসনগুলো যাতে শূন্য না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিএনপি এই 'সেফটি প্ল্যান' বা বিকল্প প্রার্থীর পথে হাঁটছে।
রাজশাহী ভয়েস
Rajshahi Voice একটি আধুনিক, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যার মূল লক্ষ্য রাজশাহীকে সঠিকভাবে রিপ্রেজেন্ট করা এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা। রাজশাহীর ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনধারাকে প্রামাণ্য ও বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।